স্পোর্টস রিপোর্টার
টোকিও অলিম্পিকে বাংলার দুই সাঁতারু আরিফুল ইসলাম এবং জুনায়না আহমেদ ওয়াইল্ডকার্ড পেয়ে অলিম্পিকে অংশ নেন। সাঁতারে আরিফুল আর জুনায়না কেউ ভালো করতে পারেননি। তারা নিজেদের টাইমিং ভালো করলেও তা আন্তর্জাতিক বিচারে বলার মতো কিছু না। অথচ এই দুজনই বিদেশে অবস্থান করে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বিশেষ করে আরিফুল ইসলামকে নিয়ে অনেক বেশি আশা ছিল বাংলাদেশের। বিওএ জানিয়েছিল আরিফুল তিন বছর ধরে আইওসির স্কলারশিপ পেয়ে ফ্রান্সে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সবার ধারণা ছিল তিন বছর একটা উন্নত দেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে তার পারফরম্যান্সের ছবিটাও পরিষ্কার ফুটে উঠবে।
টোকিওর অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে শুক্রবার ৩ নম্বর লেনে ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল হিটে আরিফুল সাঁতার শেষ করেন ২৪ দশমিক ৮১ সেকেন্ড সময় নিয়ে। নিজের ৪ নম্বর হিটে আট সাঁতারুর মধ্যে তৃতীয় এবং সব মিলিয়ে হিটে ৭৩ জনের মধ্যে আরিফুল ৫১তম হয়েছেন। এই সাঁতারু গত এস এ গেমসে রুপার পদক জয় করেছিলেন। এই ইভেন্টে ২০১৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফিনা ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন্সশিপসে ২৪ দশমিক ৯২ সেকেন্ড টাইমিং ছিল আরিফুলের আগের সেরা। টোকিওতে ছেলেদের ইভেন্টে হিট পেরোনো ১৬ সাঁতারুর মধ্যে সবশেষ জনের টাইমিং ২১ দশমিক ৯১ সেকেন্ড।
লন্ডন প্রবাসী আরেক সাঁতারু জুনায়ানা আহমেদ। ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল ইভেন্ট হিটে লড়াই করেন তিনি। বাংলাদেশের সাঁতারু জুনায়না মেয়েদের ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইলে ৩ নম্বর হিটে নেমেছিলেন। ২৯ দশমিক ৭৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজের হিটে আট জনের মধ্যে পঞ্চম হয়েছেন। হিটে সব মিলিয়ে ৮১ জনের মধ্যে ৬৮তম হন তিনি। ২০১৯ সালের দক্ষিণ কোরিয়ার ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন্সশিপে ৩০ দশমিক ৯৬ সেকেন্ড সময় ছিল জুনায়নার সেরা টাইমিং। আর্চারি, শুটিং, সাঁতার হতে বিদায় হয়ে গেছে, এবার অ্যাথলেটিকসে।
