মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
অযত্ন-অবহেলা আর সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ না থাকায় মোরেলগঞ্জের ঐতিহাসিক নিদর্শন নীলকুঠি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। জানা যায়, ১৮৪৯ সালে ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি মিসেস মোরেল তার দুই ছেলের নামে এ অঞ্চলের পত্তনি গ্রহণ করেন এবং পানগুছি ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় সুন্দরবন বন্দোবস্ত নিয়ে বন আবাদ করে বসতি গড়ে নীল চাষ শুরু করেন। কুঠিবাড়িটি দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। বর্তমানে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়রা কুঠিটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভবনটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে।
