এফবিসিসিআইয়ের ভার্চুয়াল সংলাপ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ কর্মী তৈরি করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষ ব্যবস্থাপকও গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করা যেতে পারে। গতকাল রবিবার দক্ষ কর্মী ও ব্যবস্থাপক তৈরি সংক্রান্ত একটি ভার্চুয়াল পলিসি ডায়লগে বক্তারা এ কথা বলেন। বিনিয়োগ, দেশীয় বাজার উন্নয়ন, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের লক্ষ্যে দক্ষ কর্মী ও ব্যবস্থাপক তৈরির জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়নে এই সংলাপের আয়োজন করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. হেলাল উদ্দিন, এনডিসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, উত্পাদন ও সেবা খাতে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ লোকের চাহিদা আছে। ট্রেনিং একাডেমিসহ সব সেক্টরে যেসব ঘাটতি রয়েছে সেগুলো নিয়ে কাজ করতে কারিগরি শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষ কর্মী ও ব্যবস্থাপক তৈরিতে পাবলিক প্রাইভেট সমন্বিতভাবে এগোতে হবে। এ সময় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেজের অভাব, কারিগরি শিক্ষা মূল্যায়নে সীমাবদ্ধতা, মাস্টারট্রেনারের অভাবসহ বেশকিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন।
এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী সরবরাহের জন্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন এখন মূল চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযোগী করে দেশের কর্মক্ষম জনবলকে অবশ্যই প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরো গতিশীল করতে যথাযথ প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রয়োজনে সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে বিদেশ থেকে মানসম্মত ট্রেইনার আনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমাদের ব্যবসার সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার সংযোগ নেই। এলডিসি গ্রাজুয়েশনসহ সরকারের লক্ষ্যগুলো অর্জনে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আবু নাসের, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
