করোনা আক্রান্তদের নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ হিমশিম খাচ্ছে। এর মধ্যেই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। আমরা যদি সতর্ক না হই তাহলে দেশের অবস্থা ভয়াবহ হবে। ইদানীং সিটি করপোরেশনকে বেশ তত্পর দেখা যাচ্ছে। ডেঙ্গু মশার দেহে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে। এ জাতীয় মশা মাঝারি আকারের হয়ে থাকে এবং এর অ্যান্টেন বা শুঙ্গটি কিছুটা লোমশ দেখতে হয়। ডেঙ্গুজ্বর বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। এই জ্বর হলে মাথাব্যথা, পেশিতে ও ঘাড়ে ব্যথা এবং চামড়ায় ফুসকুড়ি দেখা দেয়। ডেঙ্গু আতঙ্ক দূর করতে হলে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংস করতে হবে। যেমন বাড়ির আশেপাশের নালা-নদর্মার আর্বজনা পরিষ্কার রাখতে হবে, ছাদে কিংবা ফুলের টবে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। রাতে ও দিনের বেলায় মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ বিশ্রামসহ প্রচুর পানি, শরবত, স্যালাইন, ডাবের পানি ও তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি। আমরা সচেতন হওয়ার মাধ্যমেই ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে পারি।
মাহবুবা সিদ্দিকা, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
