সিলেটে বিপাকে মধ্যবিত্তরা
সিলেট অফিস
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের ফলে সিলেটসহ বিভিন্ন উপজেলায় অনেকেই বেকার কর্মহীন জীবনযাপন করছেন। ছোটখাটো ব্যবসাবাণিজ্যও বন্ধ। এক বেলা অন্ন জোগাড় করাও তাদের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়েছে। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার বিপাকে। না পারেন তারা মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে, না পারছেন উপোষ থাকতে। এই অবস্থায় ক্রমেই পরিস্থিতি আরো ভারী হচ্ছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষদের সহায়তা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় সিলেট জেলায় বিশেষ ওএমএস-এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচি ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। তবে অনেকেই বলেছেন আগামী ফসল না ওঠা পর্যন্ত কর্মসূচি চালু রাখা এবং উপজেলা পর্যায়ে এর আওতা বর্ধিত করলে অনেকেই উপকৃত হবে।
সিলেট খাদ্য বিভাগ জানায়, সিলেট মহানগরে তিনটি ট্রাক সেলের মাধ্যমে দৈনিক প্রতি ট্রাক ২ দশমিক ৫০০ মে. টন চাল ও ১ দশমিক ৫০০ মে. টন আটা এবং জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার পৌরসভায় চারটি করে এবং জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও বিশ্বনাথ পৌরসভায় তিনটি করে দোকান ডিলারের মাধ্যমে প্রতি ডিলার দৈনিক ১ দশমিক ৫০০ মে. টন চাল ও ১ মে. টন আটা (শুক্রবার বাদে) বিক্রি করা হচ্ছে। মাথাপিছু ৫ কেজি চাল ৩০ টাকা দরে ও ৫ কেজি আটা ১৮ টাকা দরে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে জনগণের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া মহানগরে ১০টি কেন্দ্রে কেন্দ্রপ্রতি ১ দশমিক ৫০০ মে. টন চাল ও ১ মে. টন আটা নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রম চলমান আছে। পরিদর্শনে দেখা যায়, ট্রাকসেল ও ওএমএস কেন্দ্রের সামনে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে ভোক্তারা চাল ও আটা ক্রয় করছেন।
