করোনা মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততার উদ্যোগ জরুরি

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০০:০৫

করোনা মোকাবিলায় জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। গত মার্চ মাস থেকে দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারিভাবে কঠোর বিধিনিষেধ পালনের কথা বলা হলেও মানুষের মধ্যে সচেতনতা সেভাবে তৈরি হয়নি। এ অবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে এগোতে হবে।

‘করোনা মোকাবিলায় স্থানীয় জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল রবিবার এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফরম, বাংলাদেশ এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এই সংলাপের আয়োজন করে। সংলাপে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ গ্রামে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধসক্ষম গ্রাম (সিআরভি) তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নাগরিক প্লাটফরমের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য স্বাগত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, করোনা মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করতে অনীহা দেখা যাচ্ছে। সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

সিপিডির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান, এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। করোনা মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য অধ্যাপক রেহমান সোবহান নাগরিক সমাজের সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের একটি উদাহরণ সৃষ্টি করার কথা বলেন। অধ্যাপক রওনক জাহান করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বয়ের অভাবের কথা তুলে ধরেন। আনির চৌধুরী বলেন, করোনা মোকাবিলায় শুধু সচেতনতা বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারপারসন ড. মোস্তাক রাজা চৌধুরী।