১০ হাসপাতাল ঘুরে আইসিইউ না পেয়ে মারা গেলেন লালচান বিবি

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৮:৪৯

সিলেট বিভাগে রবিবার মৃতের সংখ্যা ২৪ ঘণ্টায় ৯-এ নেমে আসলেও আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯৬ জন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এক দিনে করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ১৭। জুলাই মাসে বেশ কয়েক দিন রেকর্ড পরিমাণ রোগী শনাক্ত হয় ও মৃত্যু ঘটে। তবে রোগী সুস্থ হওয়ার খবর থাকলেও বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে শহর ও গ্রাম থেকে আসা রোগী নিয়ে ছুটছেন স্বজনরা। শনিবার নগরীর ১০টি হাসপাতাল ঘুরেও বিয়ানীবাজারের করোনা আক্রান্ত লাল চান বিবির জন্য একটি আইসিইউ মেলেনি, মারা গেলেন তিনি।

রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ১৮ জনের মৃত্যু

এদিকে হবিগঞ্জে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন জনের মৃত্যু হয় রবিবার বেলা ১২টা থেকে ১টার মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে। মৃতরা হলেন, বানিয়াচং উপজেলার চিলাপাঞ্জা গ্রামের জহুরা (৪৫), চুনারুঘাট উপজেলার উলুকান্দি গ্রামের অমির চাঁন (৮০)। এছাড়াও আরেক জন ৪২ বছরের পুরুষ। রোগীর স্বজনরা দাবি করছেন, হাসপাতালে অক্সিজেন না থাকার কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অক্সিজেনের অভাবের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

গ্রামে করোনা ভাইরাসের উপসর্গগুলোকে এখনো মানুষ সাধারণ জ্বর সর্দির মতো মনে করছেন। তাই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। আক্রান্ত ও শনাক্তে জুলাইকেও ছাড়িয়ে যাবে আগস্ট মাস, এমন আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের কর্মকর্তারা। তবে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, আগস্টে সংক্রমণ কমতে পারে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এই মাস থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে। এরই মধ্যে সিলেট বিভাগে প্রায় ২ লাখ টিকা প্রদান করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এতে সংক্রমণ কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে।

ইত্তেফাক/এমআর