ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর

প্রেষণে এডিজি পদায়নে পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২১, ২১:০৩

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) পদে প্রেষণে পদায়নের ঘটনায় ডিআইপি’র কর্মকর্তারা তাদের পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। 

গত ১৪ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসন ক্যাডারের একজন যুগ্ম সচিবকে ডিআইপি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে প্রেষণে পদায়নের আদেশ জারি করে। কিন্তু এর আগে ডিআইপি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদটি বিভাগীয় কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে পদোন্নতি দিয়ে পদায়ন করা হতো। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার ফলে ডিআইপি’র আটটি ধাপের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ পদোন্নতির সুযোগ হতে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। 

এ ব্যাপারে ডিআইপি’র কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশার সৃষ্টি হতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, ‘কাজ সম্পাদনের জন্য দেশের অভ্যন্তরে ৬৯টি বিভাগীয়, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, পাসপোর্টের ডাটা সেন্টার, ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার পরিচালনা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন করতে হয়। এছাড়া এমআরপি ও এমআরভি, ই-পাসপোর্ট ও ই-ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রমটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বিধায় প্রেষণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে পূর্বাভিজ্ঞতা না থাকার ফলে উক্ত কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।’

ডিআইপি’র কর্মকর্তারা জানান, সাতজন পরিচালক দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে অতিরিক্ত মহাপরিচলক পদে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করা সত্ত্বেও পদ স্বল্পতার কারণে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় ১টি অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে অন্য দপ্তর হতে প্রেষণে পদায়ন করা হলে পরিচালকদের মধ্য থেকে কেউই পদোন্নতি পাবেন না। পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেই তাদেরকে অবসরে যেতে হবে। 

কাজের ধরন ও গুরুত্ব বিবেচনায় অতিরিক্ত মহাপরিচালকের পদ অধিদপ্তরের পরিচালকগণের মধ্য থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছেন ডিআইপির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা।

ইত্তেফাক/এএএম