করোনার ঊর্ধ্বমুখী চাপে বিদ্যালয় খোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরীক্ষা প্রস্তুতির বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে ক্লাস কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় অ্যাসাইনমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব না হলে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরির ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্টের প্রাপ্ত নম্বর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এদিকে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে জরুরি নির্দেশনাও জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও অ্যাসাইনমেন্টের প্রতি দেওয়া হচ্ছে যথাযথ গুরুত্ব। এই সুযোগে রমরমা ব্যবসায় মেতে উঠেছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী। অ্যাসাইনমেন্ট তৈরির চাহিদাসম্পন্ন এফোর কাগজসহ অন্যান্য সাদা কাগজ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে অধিক মুনাফা করছে তারা। বেশকিছু লাইব্রেরিতে ২০০ টাকা সমমূল্যের ৮০ জিএসএম বা ১ রিম এফোর সাইজের কাগজের দাম রাখা হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। কোয়ালিটি অনুযায়ী দামের তফাত থাকলেও চাহিদা বাড়ার কারণে বাড়তি দাম চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। করোনায় বিপর্যস্ত এ সময়ে প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক শিক্ষার্থীদের পক্ষে বাড়তি টাকায় কাগজ কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে। ফলে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম যথাযথ বাস্তবায়নেও ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা বাড়ছে। তাই এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষীয় উদ্যোগ প্রয়োজন।
আবু মো. ফজলে রোহান
শিক্ষার্থী, ডেমরা, ঢাকা
