ইত্তেফাক রিপোর্ট
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, ‘১১ আগস্ট থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স অথচ টিকা নেয়নি এমন কেউ বাইরে বের হলেই নেওয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা’—সরকারের এমন সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও অবাস্তব। এটি পুরোপুরি হাস্যকর। অপরিকল্পিত, অদূরদর্শী ও সমন্বয়হীনতার কারণে বারবার এমন ঘটনা ঘটছে। মন্ত্রীদের বক্তব্যে বিভ্রান্ত হচ্ছে দেশবাসী। একই সঙ্গে সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছেন মানুষ। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় দেশে দুই ডোজ টিকা নেওয়া মানুষের সংখ্যা ১ কোটির নিচে। কোভিড টাক্সফোর্সের রিপোর্ট অনুযায়ী টিকা কর্মসূচিতে বিশ্বের পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে টিকা কর্মসূচিতে সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। সারা বিশ্ব যখন টিকা দিয়ে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করছে, মনে হচ্ছে তখন টিকা দিতে ব্যর্থতার দায় এড়াতে উলটাপালটা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, এখন টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা ২৫ বছর নির্ধারিত। সেক্ষেত্রে কীভাবে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সি গার্মেন্টস শ্রমিকরা কারখানায় যাবে? এই বয়সের গণপরিবহনের শ্রমিকরা কীভাবে কাজে বের হবে? অথবা এই বয়সি দোকানি কীভাবে দোকান খুলবে?
