খরতাপে শুকিয়ে যাচ্ছে নাগেশ্বরীর ফসলি জমি। পানির অভাবে বিলম্ব হচ্ছে জমি তৈরির কাজ। ব্যাহত হচ্ছে বৃষ্টিনির্ভর রোপা আমন চাষাবাদ। ফলে কৃষকরা সম্পূরক সেচে ঝুঁকছেন। এতে বাড়ছে উত্পাদন ব্যয়। নেওয়াশী গোবর্ধনকুটি ব্যাপারীটারীর মজিবুল ইসলাম ব্যাপারী জানান, ৪০ বিঘা জমিতে রোপা আমন লাগাতে বীজতলা তৈরি করেছেন। বৃষ্টির অভাবে জমি তৈরি করতে না পারায় বীজতলায় উত্পাদিত চারাগাছের বয়স বেড়ে যাচ্ছে। তাই সেচ দিয়ে জমিতে হাল-চাষ করছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, কৃষককে বৃষ্টির অপেক্ষা না করে সেচ দিয়ে আমন চারা লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
