ধামরাইয়ের সূত্রাপুরে এক নেতাসহ কয়েক জনের যোগসাজশে কথিত এক টর্চার সেলে আবুল হোসেন নামে এক যুবককে আটকে রেখে নির্যাতন এবং ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির পর ১ লাখ টাকা আদায় করে তাকে মুক্তি দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক তোপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঐ নেতা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওটা কোনো টর্চার সেল নয়। ওটা আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।’ এদিকে ঐ নেতার বিরুদ্ধে বালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলীসহ অন্য নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী বিস্তর অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, শুধু আবুলের কাছ থেকে নয়; জালাল, আলী হোসেন, ছমির উদ্দিন, মান্নান, ছিদ্দিকসহ এলাকার আরো কিছু লোকের কাছ থেকে নির্যাতন করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, নানা কৌশলে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অভিযুক্ত আব্দুল গণি সুমন বলেন, ‘এসব অভিযোগ সত্য হলে থানায় আমার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করত। কোথাও কোনো অভিযোগ না করে দীর্ঘদিন ধরে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাকে হেয় করার জন্য এগুলো তাদের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত।’
