গাইবান্ধায় দুর্বৃৃত্তের হামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নিহত

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ২২:৫৫

গাইবান্ধায় আম কিনতে গিয়ে দোকানির সঙ্গে তর্কাতর্কির জের ধরে দুর্বৃত্তদের হামলায় মঞ্জুরুল হাসান লিখন (৩৮) নামে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা নিহত হয়েছেন। এই জের ধরে বিক্ষুব্ধ জনগণ গতকাল সন্ধ্যায় হকার্স মার্কেট সংলগ্ন ঐ আম বিক্রেতার দোকানে অগ্নিসংযোগ করে। এতে ছয়টি ফলের দোকান পুড়ে যায়।

এদিকে এই হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ চার জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন, শহরের ডেভিড কোম্পানি পাড়ার বাদশা মিয়ার ছেলে রকিস মিয়া, একই এলাকার মিরাজ মিয়ার ছেলে আকাশ, রুহুল আমিনের ছেলে রিফাত  ও কনু মিয়ার ছেলে সাফি মিয়া। 

পুলিশ ও গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বাদ আসর শহরের গোরস্থানপাড়া জামে মসজিদে নিহত লিখনের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বিক্ষুব্ধ জনগণ ঐ আমের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে পাঁচ/ছয়টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, গত বুধবার দুপুরের দিকে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিখন শহরের হকার্স মার্কেটের পাশের রাস্তায় শরিফ মিয়ার দোকানে আম কিনতে যায়। সেখানে আমের দরদাম নিয়ে শরিফের সঙ্গে লিখনের বাগিবতণ্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। বিষয়টি তাত্ক্ষণিক সমঝোতাও করে দেন স্থানীয়রা। এরপর রাতে লিখন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে শহরের সার্কুলার রোডস্থ জেলা বিএনপি অফিসের সামনে গেলে শরিফ ও তার কয়েক জন সঙ্গী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।