বিজিএমইএর ক্রেতাদের জন্য বেশি শিপিং লাইনার মনোনয়নের অনুরোধ

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২১, ০০:১২

পোশাকশিল্পের ক্রেতাদের অধিকসংখ্যক শিপিং লাইনার ও অফ-ডক মনোনয়ন দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। রপ্তানি কনটেইনার যথাসময়ের মধ্যে জাহাজীকরণ করতে অপারেটরদের প্রতি এ অনুরোধ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ অফিসে অনুষ্ঠিত ক্রেতা ও মেইনলাইন অপারেটর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি মিরান আলী, পরিচালক আসিফ আশরাফ, পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক আবদুল্লাহ হিল রাকিব, সাবেক পরিচালক আশিকুর রহমান তুহিন, বিজিএমইএর পোর্ট অ্যান্ড শিপিং বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল্লাহ, বিকেএমইএর পরিচালক ফজলে শামীম এহসান, এইচ অ্যান্ড এমের রিজিওনাল কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউর রহমান, মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সারের কান্ট্রি ম্যানেজার স্বপ্না ভৌমিক ও শিপিং লাইন মার্কস্লাইনের কান্ট্রি হেড অংশুমান মিত্র মুস্তাফি।

সভায় বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, যে চট্টগ্রাম বন্দরে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে  শিপিং লাইনার ও অফ-ডক নির্ধারিত করে দেওয়ার কারণে পোশাকশিল্পের রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনারগুলোকে বন্দরে অতিরিক্ত ১০-১৫ দিন থাকতে হচ্ছে। এতে করে বন্দরে কনটেইনার জট দেখা দিয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অনেক ক্রেতা বাংলাদেশ থেকে বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও মাত্র ১টি অথবা ২টি শিপিং লাইন ও ফরওয়ার্ডারের মনোনয়ন দেয়। পাশাপাশি ক্রেতারা রপ্তানি পণ্যের জাহাজিকরণের জন্য ৪/৫টি অফ-ডক অনুমোদন দেয়। এতে করে জাহাজীকরণে বিলম্ব ঘটে, ফলশ্রুতিতে রপ্তানি অর্থ প্রত্যাবাসিত হতে বিলম্বিত হয়, যার জন্য রপ্তানিকারকদেরও অতিরিক্ত চার্জ মাশুল দিতে হচ্ছে। বিজিএমইএ সভাপতি এই সমস্যা সমাধানের জন্য ক্রেতাদের অধিকসংখ্যক শিপিং লাইনার ও অফ-ডক মনোনয়ন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি বিজিএমইএ চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্ট রপ্তানি কনটেইনার জট নিরসনের জন্য এইচএন্ডএম, এমএন্ডএসসহ বায়ার্স ফোরামের মাধ্যমে পোশাকশিল্পের ক্রেতাদের পরিস্থিতি অবহিত করে এ ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।