রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ১৫ জনের মৃত্যু 

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২১, ১০:০৬

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আজ শুক্রবার (৬ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। 

এদের মধ্যে করোনা পজেটিভ ৫ জন, করোনা পজেটিভ থেকে নেগেটিভ ২ জন এবং করোনার উপসর্গে ৮ জন মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

রামেকে করোনা ও উপসর্গে ১৫ জনের মৃত্যু 

এ নিয়ে চলতি আগস্টের ছয়দিনে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৮। এর আগে জুলাইয়ে ৫৬৬ এবং জুনে ৪০৫ জন করোনা ও উপসর্গে মারা যান।

রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের রাজশাহীর ৮ (পজেটিভ ৩, উপসর্গ ৪, পজেটিভ থেকে নেগেটিভ ১) জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ (পজেটিভ) জন, নাটোরের ২ (পজেটিভ ১, উপসর্গ ১) জন, নওগাঁর ১ (পজেটিভ থেকে নেগেটিভ) জন, কুষ্টিয়ার ১ (উপসর্গ) জন ও পাবনার ২ (উপসর্গ) জন। তিনি বলেন, আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৫১৩টি করোনা ডেডিকেটেড বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪০৩ জন। এদিন সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩৪ জন। 

রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

পরিচালক জানান, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৪০৩ জনের মধ্যে ১৮২ জনের করোনা পজেটিভ রয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ১৪২ জন। এছাড়াও চিকিৎসা নিয়ে করোনামুক্ত হওয়ার পর ফুসফুসে ইনফেকশনসহ পরবর্তি শারীরিক জটিলাতার কারণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৯ জন। 

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ভাইরোলজি ল্যাব এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ দুই জেলার ৫৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজেটিভ এসেছে ১৩০ জনের। রামেক ভাইরোলজি ল্যাবে রাজশাহীর ২৪৭ জনের নমুনায় ৩১ জনের এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩৪ জনের নমুনায় ৪ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে। 

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু

রামেক হাসপাতালের মলিকুলার ল্যাবে ২৮২ জনের নমুনায় ৯৫ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে। রাজশাহীতে করোনা সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ২৩.৮১শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণের হার দাঁড়িয়েছে ১১.৭৬শতাংশ।

ইত্তেফাক/কেকে