বঙ্গবন্ধুর মঙ্গলময় রাষ্ট্রের ধারণা নিয়ে আগামীর পথে চলেছি

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২১, ২১:৫৭

বাংলা একাডেমি আয়োজিত

আলোচনায় বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শোকের মাসে স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, শৈশব-কৈশোর থেকেই অসহায়, দরিদ্র, বিপন্ন ও সহায়হীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মানবতার মূর্ত প্রতীক শেখ মুজিবুর রহমান। ক্রমশ হয়ে উঠেছেন বাঙালি জাতিসত্তা, নির্ভীকতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীকপুরুষ। বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ‘সহায়হীন মানুষের পাশে তরুণ শেখ মুজিব’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্বরচিত ‘মহাকালের চিঠি’ কবিতা পাঠ করেন কবি আসলাম সানী। কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী রচিত ‘গরাদ ভাঙার সংগ্রামীরা জাগো’ কবিতার আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিকশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে কবি মুহাম্মদ সামাদ রচিত ‘তুমি কবে আবার আসবে’ শীর্ষক কবিতার আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিকশিল্পী হাসান আরিফ। অনুষ্ঠানে ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমির জাতীয় সাহিত্য সম্মেলনের নাট্যানুষ্ঠানে শেখ কামালের অংশগ্রহণের দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান। সভাপতির বক্তব্য দেন  বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

প্রাবন্ধিক অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আজীবনের স্বপ্ন ছিল অসহায় ও দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। শৈশব-কৈশোর থেকেই অসহায়, দরিদ্র, বিপন্ন ও সহায়হীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মানবতার মূর্ত প্রতীক শেখ মুজিবুর রহমান। অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন গ্রন্থে নিজের জীবন বিপন্ন করে সহায়হীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো তরুণ শেখ মুজিব মানবতার সেবায় আমাদের শানিত ও প্রাণিত করে।’

মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালির মহান নেতা, স্বাধীন জাতির স্বাধীন পিতা। তিনি আজীবন সহায়হীন মানুষের বন্ধু-ভাই-নেতা ও ত্রাতা হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রমশ হয়ে উঠেছেন বাঙালি জাতিসত্তা, নির্ভীকতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীকপুরুষ। তার মঙ্গলময় সমাজ ও রাষ্ট্রের ধারণা নিয়ে আমরা আজ উজ্জ্বল আগামীর পথে এগিয়ে চলেছি।’