স্পোর্টস রিপোর্টার
ব্রাজিলে ২০১৬ সালে অলিম্পিক গেমস হয়েছিল। রিও অলিম্পিক গেমস ফুটবলে (অনূর্ধ্ব-২৩) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রাজিল। মারাকানার মাঠে ফাইনালে নেইমারদের ব্রাজিল হারিয়েছিল জার্মানিকে। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের মাঠে জার্মানি ৭-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। তার পরের বছর দুই দেশের ছোট ভাইদের লড়াইয়ে ব্রাজিল স্বর্ণপদক জয় করে দুধের স্বাধ ঘোলে মিটিয়েছিল। এবার টোকিও অলিম্পিক গেমস ফুটবল ফাইনালে নেইমার ছিলেন না। স্পেন চেয়েছিল ব্রাজিলের গলা থেকে স্বর্ণপদকটা খুলে নিয়ে নিজেদের গলায় পরে নিবে। কিন্তু ফাইনালে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও সেটি হয়নি। টোকিও অলিম্পিক ফুটবলে আবার স্বর্ণপদক জয় করল ব্রাজিল। জাপানকে হারিয়ে মেক্সিকো ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে।
টোকিওর কাওয়াগাওয়ায় ইয়োকোহামা স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ২-১ গোলে স্পেনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ৯০ মিনিট ১-১ গোলে অমীমাংসিত ছিল। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জিতে। অতিরিক্ত সময়ে সুপারসাব ম্যালকমের গোলে ব্রাজিলের (২-১) স্বর্ণপদক নিশ্চিত হয়। ব্রাজিলের কুনা গোল করেছিলেন, স্পেনের মিকেইল ওয়াইরজাবাল সমতা আনেন। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অথচ ব্রাজিলের রিচার্লসন প্রথম সুযোগে পেনাল্টি হতে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
অলিম্পিক গেমস ফুটবলের মুকুট ব্রাজিলেরই থাকল। স্পেন পারল না কেড়ে নিতে। ১৯৯২ বার্সেলোনা অলিম্পিক গেমস হয়েছে ঘরের মাঠে, স্পেনে। সেবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। এর আগে ১৯২০ অলিম্পিক ফুটবল ফাইনালে খেলেছিল বেলজিয়াম চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে স্পেন ফাইনাল খেলে সেবার ক্যামেরুন চ্যাম্পিয়ন হয়।
৮৪, ৮৮ এবং ২০১২ অলিম্পিক ফুটবল ফাইনাল খেলেও তিন বারই রানার্সআপ হয় ব্রাজিল। অনেক অপেক্ষার পর ২০১৬ রিও অলিম্পিকে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হয় পেলের দেশ ব্রাজিল। এবার নিয়ে পরপর দুই বার স্বর্ণপদক নিয়ে ঘরে ফিরল ব্রাজিল। টোকিও অলিম্পিক হতে আগেই বিদায় নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ২০০৪ সালে অলিম্পিকে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, ১৯২৮ এবং ১৯৯৬ অলিম্পিকে রানার্সআপ হয়।
