বিনোদন প্রতিবেদক
‘দেশের সংগীত ইন্ডাস্ট্রিতে আলাউদ্দিন আলীর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। গুণী এই মানুষটির প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তারই হাতে গড়া বাংলাদেশ লিরিকিস্ট, কম্পোজার ও পারফর্মার সোসাইটির (বিএলসিপিএস) মাধ্যমে একটি স্মরণসভার আয়োজন করতে পারছি এটা খুবই ভালোলাগার। অনুষ্ঠানটিতে বেশ কয়েকজন শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার অংশ নেবেন।’—কিংবদন্তী গীতিকার, সুরকার ও সংগীতশিল্পী আলাউদ্দিন আলীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে কথাগুলো বললেন ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ। তিনি আরো জানান, আজ রাত ৮টায় ভার্চুয়ালি এই স্মৃতিচারণমূলক স্মরণসভাটি আয়োজন করা হবে। এতে অংশ নেবেন সাবিনা ইয়াসমিন, সৈয়দ আব্দুল হাদী, রুনা লায়লা, সামিনা চৌধুরী, তপন চৌধুরী, কুমার বিশ্বজিত্, ফুয়াদ নাসের বাবু, গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও মনিরুজ্জামান মনির। অনুষ্ঠানটির সম্পর্কে হামিন আরো বলেন, ‘মূলত গুণী এই মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানাতে এই স্মরণসভার আয়োজন। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণার পাশাপাশি তাকে ঘিরে আমাদের পরবর্তী কার্যক্রমের বিষয়গুলো নিয়ে অনুষ্ঠানে আমরা আলোচনা করবো।’ দেশের প্রথম সংগঠন হিসেবে সংগীতশিল্পীদের মেধাস্বত্ত্ব ও রয়ালিটি নিয়ে কাজ করছে বিএলসিপিএস। এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠান পেছনে অসামান্য অবদান ছিল আলাউদ্দিন আলীর। বিএলসিপিএস ও আলাউদ্দিন আলী নিয়ে জানতে চাইলে হামিন আহমেদ বলেন, ‘সারাবিশ্বে সিএমও শিল্পীদের মেধাস্বত্ত্ব ও রয়ালিটি নিয়ে কাজ করে। সেখানে আমাদের দেশে প্রথম বিএসিপিএস সেই কাজটি শুরু করেছে। আর এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করতে আলাউদ্দিন আলী প্রচুর সময় ও শ্রম ব্যয় করেছেন। তিনি না থাকলে এই সংগঠনটি আলোর মুখ দেখতে পারতো কি-না সন্দেহ ছিল। আজকের অনুষ্ঠানে এই সংগঠন ঘিরে তার যে স্বপ্নগুলো ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন নিয়েও আমরা আলোচনা করবো।’
উল্লেখ্য, গত বছর ৯ আগস্ট না ফেরার দেশে পাড়ি জামিয়েছেন আলাউদ্দিন আলী। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামে জন্ম নেওয়া গুণী এই মানুষটি অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান তৈরি করেছেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে এবং ১৯৮৫ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
