নবাবগঞ্জে জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে শাশুড়ি খুন, ঘাতক আটক

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২১, ০০:০৩

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় মেয়ে জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে হামেদা বেগম (৪৫) নামের এক নারী খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো দুই জন আহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ শোল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামেদা বেগম ঐ গ্রামের মৈফল ইসলামের স্ত্রী। এ ঘটনায় জামাই শাওন মোল্লাকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি স্ত্রী তানিয়া বেগমের সঙ্গে তালাক হয় শাওনের। হামলায় গুরুতর আহতাবস্থায় রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তানিয়া বেগম (২০) এবং তানিয়ার ভাই হাসানকে (১৭)।

শাওন মোল্লা পার্শ্ববর্তী উলাইল গ্রামের আব্দুল কাদের মোল্লার ছেলে। হামেদা বেগমের আরেক মেয়ে কণা আক্তার বলেন, এক বছর আগে আমার বোন তানিয়ার সঙ্গে শাওন মোল্লার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই বোনকে বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলত এবং একটি অটোগাড়ি কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দিত। রাজি না হলে বোনকে মারধর করত। পরে জানতে পারি শাওন মাদকাসক্ত। মাদকের টাকা না পেলেই বোনকে মারধর করত। একপর্যায়ে ঈদের কিছুদিন পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বসে তালাকের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করেন। সেই সমাধানে দুই জন দুই পরিবারে বসবাস করছিল। কিন্তু গতকাল শাওন এসে হামলা চালায়।

 নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, ঘাতক শাওন মোল্লাকে পুলিশ আটক করেছে। প্রাথমিকভাবে তিনি খুনের দায় স্বীকার করেছেন। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামেদা বেগমের স্বামী মৈফল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।