বঙ্গমাতার আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে -------------- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২১, ০০:০৫

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গমাতার আদর্শ ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত যুগে যুগে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনের প্রচেষ্টায় বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুকে পরামর্শ ও প্রেরণা প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে নিজেও নির্যাতিত মা-বোনদের চিকিত্সার ব্যবস্থা করেন এবং তাদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন। গতকাল রবিবার বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ওয়েবিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রকাশ্য রাজনীতি না করলেও প্রয়োজনে বঙ্গমাতা নিজেই সক্রিয় হয়েছেন আন্দোলন-সংগ্রামে। তিনি প্রায় সব আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্নভাবে ভূমিকা রাখেন। স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ও স্বমহীমায় অনন্য বঙ্গমাতা চিরায়ত বাঙালি নারীর পরিচয় ছাপিয়ে গিয়েছিলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী কিংবা কারাগারের রোজনামচা বইয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার নানান স্মৃতিচারণায় বঙ্গমাতার যে চারিত্রিক বিচক্ষণতা ও দৃঢ়তার কথা জানা যায়, তা অনুকরণীয়।

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলির সদস্য তোফায়েল আহমেদ। সূচনা বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। সভার মুখ্য আলোচক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি, ভূগোল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিকটতম প্রতিবেশী ড. নাসরিন আহমাদ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব সম্পর্কে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন।