লবলং খালটি দখলমুক্ত রাখতে হবে

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২১, ২১:০৫

লবলং খাল শ্রীপুরের পানিসম্পদ রক্ষা, শিল্পায়ন ও কৃষিতে অন্যতম ভূমিকা পালন করে আসছে। এমনিতেই দখল-দূষণে এ খালের অবস্থা নাজুক। আইনি জটিলতা, অপশক্তির গ্রাস লবলং খালকে বিলীন করে দিলে এই এলাকার প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ও ভারসাম্য নষ্ট হবে—এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। মাওনা সেতুর ঠিক উত্তর পাশে লবলং খালের অর্ধেকাংশ মাটি ফেলে বিদ্যুতের টাওয়ার নির্মাণের জন্য ভিত করা হয়েছে। জায়গাটি যেভাবে চেপে দেওয়া হয়েছে, তাতে লবলং খালের প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুত্ প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন—নদী, জলাশয় ও প্রকৃতি নষ্ট করে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হবে না ।

লবলং খালের এই অংশের দুপাশেই দুটি বেসরকারি কোম্পানির বাউন্ডারি রয়েছে। যার ফলে দুপাশ আগে থেকেই চাপা। বিদ্যুতের টাওয়ার নির্মাণের ভিতের কারণে এখানে কতটুকু খালের জমি নষ্ট হচ্ছে বা হচ্ছে না তা দেখা দরকার। পুরোপুরি টাওয়ার নির্মিত হওয়ার পর যদি এই অবস্থায় খাল রাখা হয়, তবে পুরো খালটি ড্রেনে পরিণত হবে। মাওনা সেতুর দক্ষিণ পাশেও শুরু হয়েছে কাজ। লবলং খালটি বাঁচানোর ওপর নির্ভর করছে এই এলাকার পানি নিষ্কাশন, ভূগর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা, মানবস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য, কৃষি ও শিল্পায়ন। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে অনুরোধ—লবলং খালের জায়গা মুক্ত করে স্থাপনা বা ভিত তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া। এটি টেকসই উন্নয়নের স্বার্থেই করা প্রয়োজন। 

সাঈদ চৌধুরী, মাওনা, শ্রীপুর, গাজীপুর