ঝুঁকি নিয়ে চলাচল
কাপাসিয়া (গাজীপুর) সংবাদদাতা
কাপাসিয়া উপজেলার প্রধান সড়কে অবস্থিত উপজেলা পরিষদের সীমানাপ্রাচীরের পাশে কাপাসিয়া-রাণীগঞ্জ-তারাগঞ্জ ও কাপাসিয়া-চাঁদপুর-কালীগঞ্জ সড়কের সংযোগস্থল পানির নিচে তলিয়ে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন । সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-কাপাসিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কটি কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন সড়কটি সাফাইশ্রী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে। এখান থেকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মিত সড়কটি ডানদিকে বাঁক নিয়ে মাত্র ২০০ মিটার সামনে গিয়ে কাপাসিয়া-রাণীগঞ্জ ও কাপাসিয়া-চাঁদপুর-কালীগঞ্জ সড়কে বিভক্ত হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচলের ফলে উক্ত ২০০ মিটার সড়কে দীর্ঘদিন ধরে কোথাও বড় গর্ত ও কোথাও খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক মাস যাবত্ সম্পূর্ণ যান চলাচল অনুপযোগী থাকলেও এটি মেরামতের উদ্যোগ নেই। ব্যস্ততম এ সড়কটি বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। কোন অংশ কতটুকু যান চলাচল উপযোগী তা নির্ণয় করতে না পারায় এ সড়কে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ অংশ দিয়েই উপজেলার দুর্গাপুর, চাঁদপুর ও সদর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী কালীগঞ্জ উপজেলা এবং নরসিংদী জেলার মনোহরদী, শিবপুর ও পলাশ এলাকার হাজার হাজার যানবাহন প্রতিদিন কাপাসিয়া উপজেলা সদরে এবং আশপাশের এলাকাসহ রাজধানী শহরে যাতায়াত করে। এ অংশের বিড়ম্বনা এড়াতে কেউ কেউ এক কিলোমিটার ঘুরে কাপাসিয়া কলেজ রোড দিয়ে যাতায়াত করে থাকে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বছরই সাময়িক মেরামত করে কোনো রকম যান চলাচল উপযোগী করা হয়। পরবর্তী বছরের বর্ষা মৌসুম শুরু হলে আবার সেই একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা চলছে বিগত প্রায় ১০ বছর যাবত্। দুই পাশের বাসাবাড়ির পানিতে প্রায় সারা বছর তলিয়ে থাকায় রাস্তাটি টেকসই হয় না। এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে পরিকল্পিত স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহমান মুহিম জানান, সড়কের এ অংশের মেরামত বা উন্নয়ন কাজের জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে বরাদ্দের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
