ইত্তেফাক রিপোর্ট
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, ‘পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, গণটিকা নিয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। অপরিকল্পিত এই গণটিকা কর্মসূচি বুমেরাং হতে পারে। গণটিকা কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হওয়ায় করোনা আরো ভয়াবহ রূপে ছড়িয়ে পড়তে পারে। অনেক অসুস্থ ও বৃদ্ধ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নানা হয়রানির শিকার হয়েও টিকা পাননি। আবার প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা সংগ্রহ করতে না পারলে গণটিকা কর্মসূচি আবারও মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। এ নিয়ে জনমনে হতাশা বিরাজ করছে। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, দেশের ১৭ কোটি মানুষের জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ২৭ কোটি ডোজ টিকা। তাই গণটিকা কর্মসূচি চালু রাখতে সরকারকে এখনই বিভিন্ন উত্স থেকে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করতে হবে। এখনো দেশে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বমুখী। সেক্ষেত্রে মহামারির এই ভয়াবহতা থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় গণটিকা কর্মসূচি চালিয়ে রাখা। প্রতিদিন সরকারের মন্ত্রীরা টিকাপ্রাপ্তির বিষয়ে আশ্বাসের বাণী শোনাচ্ছেন, কিন্তু টিকাপ্রাপ্তি ও টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা জনগণ পাচ্ছে না। তাছাড়া চলমান কর্মসূচিতে অনিশ্চয়তা, বিশৃঙ্খলা ও সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান। এসব কারণে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা বেড়েই চলছে।
বিবৃতিতে জাপার চেয়ারম্যান আরো বলেন, গণটিকা প্রদানে অভিযোগ উঠেছে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির। অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা উচিত।
