১৫ আগস্টের নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করা দরকার : কাদের

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২১, ০০:২০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা নেপথ্যের ষড়যন্ত্র-কারী, তাদের খুঁজে বের করা দরকার। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাদের স্বরূপ উন্মোচন করতে হবে আগামী প্রজন্মের জন্য। গতকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উত্তরণ’ আয়োজিত ‘শোকাবহ আগস্ট-ইতিহাসের কালো অধ্যায়’ শীর্ষক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড শুধু বঙ্গবন্ধুর পরিবারের ওপর নয়, এই হত্যাকাণ্ড বহুকষ্টে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের ওপর নৃশংসতম হামলা। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধেই পরিচালিত হয়েছিল ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর কারা অভ্যন্তরে জাতীয়          চার নেতা ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল।

উত্তরণ সম্পাদক ড. নূহ-উল-আলম লেনিনের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ওয়েবিনার পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন।

পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এ সময় তিনি বলেন, যারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল তারাই আজ মুছে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতা থেকে।

 

কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ওপর

হামলা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার শিয়ালি গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের হামলা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির  হাজার বছরের আবহমান ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূলে কুঠারাঘাতের শামিল। বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, এ দেশে কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ওপর যে কোনো প্রকার হামলা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

যে কোনো ধরনের ধর্মীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে হামলাকারীদের কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।