খুলনার তিন হাসপাতালে করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২১, ১০:১৯

খুলনার তিন হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার (১১ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত গেল ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এরমধ্যে খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে চারজন, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে দুইজন এবং খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তবে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ও বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। 

মৃত ব্যক্তিরা হলেন- খুলনার বটিয়াঘাটার রাবেয়া (৫০), একই এলাকার আকরাম হোসেন (৭০), বাগেরহাট চিতলমারীর মোবারক শেখ (৯০) এবং ঝালকাটির রাজাপুরের হাসান আলী (৭৫)। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১৩ জন। এরমধ্যে রেড জোনে ৪৭ জন, ইয়ালো জোনে ৩৩ জন ও আইসিইউতে ২০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২০জন ও সুস্থ হয়ে ৩২ জন বাড়ি ফিরেছেন ।

বরিশাল বিভাগে করোনা ও উপসর্গে আরও ২০ জনের মৃত্যু 

শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন, খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর কারিকরপাড়ার মোমেনা বেগম (৫২) ও দেয়ানার ফজলুর রহমান (৯০)। বর্তমানে হাসপাতালে বর্তমানে করোনা ইউনিটে ২৮জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন আটজন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দুজন রোগী ভর্তি ও সুস্থ হয়ে চারজন বাড়ি ফিরেছেন। বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। 

মৃত ব্যক্তি হলেন, খুলনা মহানগরীর শামসুর রহমান রোডের তরফদার আব্দুল মোতালেব (৫৫)। বর্তমানে এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৫০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ১০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৬ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন। 

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার রাতে খুমেক পিসিআর ল্যাবে ৩৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে খুলনার ৮২জন, বাগেরহাটের ২৪জন, যশোরের দুজন এবং নড়াইল ও গোপালগঞ্জের একজন করে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

ইত্তেফাক/এএএম