করোনাকালে অনেক মানুষ কাজ, চাকরি হারিয়েছে। ফলে সমাজে বেকারত্বের হার বেড়েছে। ছোটখাটো প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলোরও নিশ্চয়তা নেই যে আগামীকাল সে কাজ করতে পারবে কি না। এই পুরো বিষয়টি মানুষের মনের ওপর প্রভাব ফেলছে। মানুষ হিংস্র হয়ে উঠছে। একইসঙ্গে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা। লকডাউনের সুযোগে তত্পরতা বেড়েছে অপরাধীচক্রের। স্কুল-কলেজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিশু-কিশোরদের ওপর নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। একদিকে কিশোর গ্যাংয়ে যোগ দিয়ে তারা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। অন্যদিকে তারা অতিমাত্রায় ইন্টারনেটনির্ভর হয়ে গেছে। খোলা মাঠে খেলাধুলা করার পরিবর্তে তারা এখন মোবাইল ফোনে ফ্রি ফায়ার, পাবজি খেলে দিন পার করছে। সরকারকে অবিলম্বে মানুষকে অপরাধে জড়িয়ে পড়া থেকে রোধ করতে বিশেষ কর্মসূচি নিতে হবে, যাতে তারা অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা পায়। শিশু-কিশোর-তরুণদের সুন্দর ও স্বাভাবিক মন-মানসিকতা তৈরির জন্য খোলা পরিবেশে তাদের খেলাধুলা ও সামাজিক বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে।
মো আমান উল্লাহ
শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
