আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এটা দিনের আলোর মতো সত্য যে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তার সাক্ষ্য-প্রমাণ কমিশনের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে ইনশাল্লাহ। গতকাল বৃহস্পতিবার গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, যখন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্ত হয় তখন জিয়াউর রহমানকে আসামি করা হয়নি। কারণ তখন তিনি মৃত। মৃত ব্যক্তিকে আসামি করার সুযোগ নাই। বাংলাদেশের আইনে মরণোত্তর সাজা দেওয়ার কোনো বিধান নাই। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডে যে জিয়াউর রহমান জড়িত সেটার সাক্ষ্য প্রমাণ, কমিশনের (বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কুশিলবদের খুঁজতে কমিশন গঠিত হবে) মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার ব্যাপারে শেখ হাসিনার সরকার বদ্ধপরিকর বলে আইনমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, খুনিদেরকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে বিশদ কিছু বলতে গেলে এ প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তবে এ ব্যাপারে সরকারের কোনো শিথিলতা নেই।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিশন গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে একটি কমিশন গঠনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই কমিশনের রূপরেখা কী হবে, কমিশনের কার্যাবলি কী হবে, কমিশন কাদের দ্বারা গঠিত হবে তা দেশবাসী জানতে পারবেন। বঙ্গবন্ধুর খুনি মুসলেম উদ্দিন ভারতে পালিয়ে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি যাচাইবাছাই করে দেখেছি। এখন পর্যন্ত এর কোনো সত্যতা আমরা পাইনি।
