আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণিকে দেখতে আদালতে ভিড় করেছে উৎসুক জনতা। কেউ বলছেন পরীমণি তার প্রিয় নায়িকা। আবার কেউ বলছেন সরাসরি দেখার ইচ্ছা থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে এসেছেন তারা।
গত ৪ আগস্ট বিকেলে পরীমণির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাবের গোয়েন্দা দলের সদস্যরা। প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযান শেষে রাত ৮টার দিকে তাকে আটক করে র্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করার কথা জানায় র্যাব। এ ঘটনার পরের দিন পরীমণির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে র্যাব বাদী হয়ে একটি মামলা করে। সেই অভিযানের সময় শত শত মানুষ ভিড় জমান তার বাড়ির নিচে।
দুই দফা ছয়দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আদালতে তোলা হয় আলোচিত-সমালোচিত এ চিত্রনায়িকাকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরীমণিকে মামলার তদন্তের স্বার্থে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অপরদিকে পরীমণির পক্ষে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে পরীমণিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল।

এর আগে, বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের হাজতখানায় হাজির করে পুলিশ। পরীমণিকে আদালতে আনা হচ্ছে এমন খবর শোনার পর থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ।
পরীমণিকে দেখতে ধানমন্ডি থেকে আদালতে এসেছেন সুমন আহমেদ। তিনি বলেন, তার পছন্দের নায়িকা পরীমণি। তাই এ পর্যন্ত তিনবার আদালত এসেছেন তাকে দেখার জন্য।

আবুল কালাম, থাকেন রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায়। তিনিও পরীমণিকে দেখতে আদালতে এলাকায় অপেক্ষা করছেন ১১টা থেকেই। তিনি বলেন, নায়িকা হিসেবে পরীমণি তার পছন্দের প্রথম তালিকায়। সরাসরি কখনো দেখার সুযোগ হয়নি। তাই আজ সরাসরি দেখতে এসেছেন তিনি।
ইত্তেফাক/এমইউএ/ইউবি
