এইচএসসি পরীক্ষা ২০২১ :হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২১, ১৯:৩৭

মো. শহিদুল ইসলাম

প্রভাষক (হিসাববিজ্ঞান)

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ স্কুল এন্ড কলেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া

সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা সবাই নিশ্চয়ই অবগত আছো তোমাদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। তাই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে হিসাববিজ্ঞানের সৃজনশীল অংশের অধ্যায়গুলোর গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো তুলে ধরা হলো।  এক্ষেত্রে একটি বিষয় তোমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, সৃজনশীল প্রশ্নের ক্ষেত্রে কোন থিওরি থাকবে না সবগুলোই গাণিতিক টার্ম হবে।

হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র

২য় অধ্যায়:অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে লাভ লোকসান বিবরণী, অংশীদারের ঋণ হিসাব প্রণয়ন, অংশীদারদের মূলধন হিসাব কীভাবে প্রস্তুত করতে হয় এবং সমন্বিত অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে লাভ লোকসান সমন্বয় হিসাব ও অংশীদারদের সমন্বিত মূলধন হিসাব কীভাবে প্রস্তুত করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে হবে। যদি অংশীদারগণ তাদের মোট মূলধন স্থির রাখতে চায় তাহলে সেটি কীভাবে রাখতে হবে সে বিষয়েও ভালো জ্ঞান রাখতে হবে। তাছাড়া বেতন ও উত্তোলনের সুদ কীভাবে হিসাবভুক্ত করতে হবে এবং মুনাফা কীভাবে বণ্টন করতে হবে সে সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে।

৪র্থ অধ্যায়: যৌথ মূলধনী কোম্পানির হিসাব অধ্যায়টিতে শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত জাবেদা দাখিলা দেয়া, ব্যাংক হিসাব প্রস্তুত করা এবং আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে হবে। আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করার সময় অনুমোদিত মূলধন, ইস্যুকৃত মূলধন এবং বিলিকৃত মূলধন সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে। কোম্পানি তিনভাবে (সমমূল্যে, অধিহারে এবং অবহারে) শেয়ার ইস্যু করতে পারে  এই তিনটি পদ্ধতিতে শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত জাবেদা কীভাবে দিতে হয় এবং আর্থিক বিবরণীতে কীভাবে প্রদর্শন করতে হয় সেটি জানতে হবে। শেয়ার প্রতি অবহার, মোট অবহার, শেয়ার প্রতি অধিহার এবং মোট অধিহারের পরিমাণ কীভাবে নির্ণয়  করতে হয় সেটিও জানতে হবে।

৫ম অধ্যায়: যৌথ মূলধনী কোম্পানির আর্থিক বিবরণী অধ্যায় থেকেও বাধ্যতামূলকভাবে দুটি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে, তাই এই অধ্যায়টিও খুবই গুরুত্ব সহকারে করতে হবে। এই অধ্যায়ে মোট লাভ নির্ণয়, নীট লাভ নির্ণয়, সংরক্ষিত আয় বিবরণী, মোট সম্পদ নির্ণয় এবং মোট শেয়ার মূলধন ও দায় নির্ণয় করা শিখবে। শেয়ার মূলধনকে আবার ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে অনুমোদিত মূলধন, ইস্যুকৃত মূলধন বিলিকৃত মূলধন, তলবকৃত মূলধন এবং  আদায়কৃত মূলধন সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে।

৬ষ্ঠ অধ্যায়: আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ অধ্যায়টিতে বিভিন্ন ধরনের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে। কখনো কখনো অনুপাতের নাম দেয়া থাকবে সে অনুযায়ী অনুপাত নির্ণয় করতে হবে। আবার কখনো কখনো তারল্য সংক্রান্ত অনুপাত চাইলে (চলতি অনুপাত, তড়িত্ অনুপাত, চলতি মূলধন অনুপাত) নির্ণয় করতে হবে। মুনাফা অর্জন ক্ষমতা যাচাইয়ের অনুপাত চাইলে  (মোট লাভ অনুপাত, নীট লাভ অনুপাত, বিনিয়োজিত মূলধন আয় অনুপাত ইত্যাদি)  নির্ণয় করতে হবে। স্বচ্ছলতা যাচাইয়ের অনুপাত চাইলে (দায়-মালিকানা অনুপাত, দায়-মোট সম্পদ অনুপাত, মালিকানা-মোট সম্পদ অনুপাত) নির্ণয় করতে হবে।