জোয়ারে তলিয়ে গেছে ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২১, ২১:৪১

শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথ

অনল কুমার দে, শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌপথের আলুর বাজার ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে তলিয়ে যায় জোয়ারের পানিতে। এ কারণে প্রতিদিন দুই দফা জোয়ারের সময় কার্যত ঘাটের একটি গ্যাংওয়ে দিয়ে ফেরিতে গাড়ি ওঠানামা বন্ধ রাখতে হয়। ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রীরা। শুক্রবার সকালেও পানিতে গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাওয়ায় সেখানে একটি বাস আটকে যায়। তখন সেই গ্যাংওয়ে দিয়ে ফেরিতে গাড়ি ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা, স্থলবন্দর বেনাপেল, ভোমরা, নৌবন্দর মোংলা ও পায়রা থেকে পণ্যবাহী যান শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়ক দিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে। এছাড়া যাত্রীবাহী যান চলাচল তো আছেই। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় পণ্য পরিবহনের জন্য চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌপথ ব্যবহার করেন। ঐ যানবাহনগুলো শরীয়তপুরের আলুর বাজার ও চাঁদপুরের হরিনা ফেরিঘাট দিয়ে মেঘনা নদী পারাপার হয়। ঐ ফেরিঘাটে যানবাহন পারাপারের জন্য ছয়টি ফেরি রয়েছে। যার মধ্যে একটি ফেরি বিকল হয়ে চাঁদপুরে বিআইডব্লিউটিসির ওয়ার্কশপে রয়েছে। দুই দফা জোয়ারের সময় সকাল ৬টা হতে ১০টা ও সন্ধ্যা ৭টা হতে রাতে ৯টা পর্যন্ত গ্যাংওয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। আলুর বাজার ফেরিঘাটের ইজারাদার ও চরসেনসাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিতু মিয়া ব্যাপারী বলেন, প্রতি বছর বর্ষায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পায়। তখন জোয়ারের সময় ঘাটের একটি গ্যাংওয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। ঐ ঘাটের পন্টুন ও গ্যাংওয়ে উঁচু করার অনেক অনুরোধ করেছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিভাগ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) আলুর বাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে ফেরিতে পণ্যবাহী গাড়ি পারাপারে কিছু বিধিনিষেধ থাকায় আলুর বাজার ঘাটে গাড়ির চাপ বেড়েছে। তার মধ্যে একটি ফেরি বিকল। আর জোয়ারের পানিতে পন্টুনের গ্যাংওয়ে তলিয়ে মাঝেমধ্যে একটি পন্টুন দিয়ে গাড়ি ওঠানামা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। গ্যাংওয়ে উঁচু করার কাজ চলছে।