রংপুরে বন্যায় তিস্তার তীরবর্তী ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২১, ২২:৫৪

উজানী ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় চতুর্থ দফায় সৃষ্ট বন্যায় চরাঞ্চলসহ তীরবর্তী গ্রামে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি লোকজনের মধ্যে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে তিস্তার পানি শুক্রবার সকাল থেকে বাড়তে থাকে। পানি বৃদ্ধির কারণে তারা অসহায় হয়ে পড়েছে। কোলকোন্দ ইউনিয়নে বিনবিনা এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকাল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপত্সীমার ৫২.৬০ সে.মি. ১০ সে.ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ, চরইচলী, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল, চর মটুকপুর, বিনবিনা এলাকায় বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বাড়িঘরে পানি ওঠায় বিনবিনা এলাকায় কিছু লোক গবাদি পশু, বাড়ির আসবাবপত্রসহ সড়কে কিংবা উঁচ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন রাজু বলেন, তার ইউনিয়নের চিলাখাল, উত্তর চিলাখাল, মটুকপুর, বিনবিনা মাঝের চর, সাউদপাড়া ও বাবুরটারী বাঁধেরপাড়, বিনবিনা এলাকায় ১ হাজার ৩০০ পরিবার পানিবন্দি।

লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তার ইউনিয়নের শংকরদহ, ইচলি, জয়রামওঝা ও বাগেরহাট এলাকায় ১ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। মর্নেয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী আজাদ বলেন, ‘লেখালেখি করে কি হবে। বন্যায় ভাসি গেলেও কেউ সাহায্য করে না।’ রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকারিয়া জানান, ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপত্সীমার ১০ সে.মি.ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।