আজ ১৪ আগস্ট। জেলার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর পুলিশের ওপর জঙ্গিদের হামলা ও অস্ত্র লুট মামলার ১৮ বছর পার হলেও বিচারকাজ শুরু হয়নি। ঐ মামলায় অভিযুক্ত ৬০ জনের মধ্যে এক জনের মৃত্যু হলেও অন্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেলহাজতে রয়েছেন আট জন। ৩৮ জন জামিনে থাকলেও পলাতক রয়েছেন ১৩ জন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিএনপির শাসনামলে জয়পুরহাটে সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবির) শক্তিশালী ঘাঁটি। ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট গভীর রাতে জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর গ্রামে নিষিদ্ধঘোষিত জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) আঞ্চলিক কমান্ডার মন্তেজারের বাড়িতে বিভিন্ন জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডারদের মিটিং চলছে। এ খবর পেয়ে সদর থানার তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল শফির নেতৃত্বে পুলিশ অভিযানে যায়। সংগঠিত জেএমবি সদস্যরা পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে পুলিশের ওয়াকিটকিসহ অস্ত্র ও গুলি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আহত সাত পুলিশকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার খবর পেয়ে তত্কালীন পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল মণ্ডল দ্রুত অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ক্ষেতলাল, কালাই ও সদরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করে এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যসহ দুটি বিদেশি রিভলবার, এসএলআর উদ্ধার করা হয়।
