ন্যায়বিচার প্রদানে বিলম্ব অনেক রূপ নেয়। লাহোর হাইকোর্টে একটি ধর্ষণ মামলার সাম্প্রতিক শুনানির সময় ন্যায়বিচারের পথে বাধা দেওয়ার আরেকটি উদাহরণ প্রকাশ পেয়েছে। এসব জানিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
পুলিশ বলছে, তহবিল ও সক্ষমতার স্বল্পতার কারণে তারা আইন মেনে চলতে পারছে না। পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুসারে, পাঞ্জাবের ৩৬ টি জেলায় আইটিও ২০২) -এর সময়সূচী ১ এবং ২ -এর অধীনে, এই বছরের প্রথম সাত মাসে যথাক্রমে ১৩ হাজার ৩০৭ এবং ২০ হাজার ৯৯৪ টি মামলা নিবন্ধিত হয়েছে। এর কোনোটিতেই না জেআইটি গঠন করা হয়েছে এবং না কোনো গেজেটেড অফিসারকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
পুলিশের দুর্বলতাকে আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করে ক্ষুব্ধ এলএইচসি প্রধান বিচারপতি আলী জিয়া বাজওয়া তার রায়ে লিখেছেন , আদালত এমন অলসতা উপেক্ষা করতে পারে না যার মারাত্মক পরিণতি হতে পারে। তিনি পুলিশের এতো বড় পরিসরে সম্পূর্ণরূপে প্রাসঙ্গিক আইন অনুসরণ করতে ব্যর্থতাকে আখ্যায়িত করে বলেন, পুরো বিষয়টির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হল আইটিও ২০২০ এর বিধানগুলি একক ক্ষেত্রেও মানা হয়নি।
অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে তাদের অপারগতা ব্যাখ্যা করে পুলিশ দাবি করেছে, ধর্ষণ বিরোধী তদন্ত ইউনিট প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের কোন তহবিল, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং অন্যান্য সম্পদ নেই। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় পুলিশ বিভাগের দ্বারস্থ হয়ে দোষারোপ করে জানিয়েছে , অধ্যাদেশের তদন্ত অংশ বাস্তবায়ন করা তার দায়িত্ব।
দেশে যৌন নিপীড়নের ক্রমবর্ধমান মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আইটিও ২০২০ বাস্তবায়নের পথে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করা উচিত। কর্তৃপক্ষের উচিত সহানুভূতির সাথে বিষয়টি বিবেচনা করা।
ইত্তেফাক/এসএ
