যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত
যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) ২ লাখ ১২ হাজার ৬৭২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করে, যাদের মধ্যে কম বয়সি রয়েছে ১ হাজার
৯০০ জন। দিনদিন সেই সংখ্যা আরো বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে গত জুলাই মাসে ২ লাখেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করা হয়েছে, যা বিগত ২১ বছরে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে মেক্সিকো সরকার। ওয়াশিংটন পোস্ট
যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) ২ লাখ ১২ হাজার ৬৭২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করে, যাদের মধ্যে কম বয়সি রয়েছে ১ হাজার ৯০০ জন। দিনদিন সেই সংখ্যা আরো বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজ দেশে সহিংসতা আর দারিদ্র্যের কারণে এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী ঘর ছাড়ছে। জুলাইয়ে সর্বোচ্চ অভিবাসনপ্রত্যাশীর ডাকা বলছে, গত এপ্রিলে আটক হয়েছে ২ হাজার জন। যার কারণে মানবিক সংকটের ইস্যুটি নিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাইডেন প্রশাসন। গ্রীষ্মকালে ২ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে তারা, যা সত্যিই ঐতিহাসিক রেকর্ড। চলতি বছরের জুন থেকে জুলাই মাসে অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ১৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। যেখানে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সীমান্তে আটক হয় ১ লাখ ৮৮ হাজার জন। গত মে মাসে সীমান্তে প্রবেশের সময় বাধার মুখে পড়ে আরো ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিষয়ক সচিব অ্যালেজান্দ্রো মেয়রকাস বলেন, কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তার দেশ। তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে তাদের অবস্থান পরিবর্তন একটি জটিল প্রক্রিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যুও বটে। গত মে মাসে একটি জরিপে দেখা গেছে, ৫৪ শতাংশ আমেরিকান অভিবাসীদের দেশে জায়গা দিতে নারাজ। ফলে অভিবাসন ইস্যুতে একধরনের কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন।
