ঝিনাইগাতীতে খেতেই নষ্ট হচ্ছে সবজি

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২১, ২১:০৫

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা

ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের হাটবাজারগুলোতে সবজির দাম কম। ফলে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শত শত কৃষক। বিক্রি না করতে পারায় অনেক কৃষকের সবজি খেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ফলনও ভালো হয়েছে। কৃষকরা জানায়, করোনাকালীন পরিবহন সমস্যাসহ নানা কারণে সবজির বাজারে ধস নেমেছে। ফাকরাবাদ গ্রামের শফিকুল, আব্দুস ছালাম, রফিকুল ইসলাম, সন্ধ্যাকিড়া গ্রামের কামরুস, মানিককুড়া গ্রামের জামালসহ আরো অনেক পাইকারি ব্যবসায়ী জানান, ট্রাকযোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সবজি নিয়ে বিক্রি করের তারা। সবজি পরিবহন করতে নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। অনেক সময় ট্রাকও পাওয়া যায় না। আবার পাওয়া গেলেও ভাড়া দিতে হয় বেশি।  ফজলুল করিম, বুলবুল, ময়দান আলী, জহুরুল ইসলাম, আক্কাস আলীসহ একাধিক কৃষক জানান, করোনাকালীন নানান সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার কারণে সবজির বাজারে চাহিদা কম। ফলে কম দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে উত্তোলন খরচও উঠছে না। তারা বলেন, অনেক সময় উত্তোলন করা সবজি খেতেই পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে শত শত কৃষক সবজি আবাদ করে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। শেরপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ির উপপরিচালক ড. মোহিদ কুমার দে বলেন, অনুকূল পরিবেশ থাকায় গ্রীষ্মকালীন সময়ে সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাজারে সবজির চাহিদা কম থাকায় কৃষকেরা সবজির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না।