শুরুতেই কোভিড রোগীদের চিকিত্সাসেবা শুরু করে এএমজেড হাসপাতাল

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২১, ২২:৩০

করোনা ডেডিকেটেড বেসরকারি এএমজেড হাসপাতালটি ১০০ শয্যার। পাঁচ শতাধিক ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্য সেবাকর্মী দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এই হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিত্সা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সুচিকিত্সা পাওয়ায় হাসপাতালের অধিকাংশ রোগী সুস্থ হচ্ছেন। এএমজেড হাসপাতালে ৩৪টি আইসিইউ শয্যা ও ২০টি কেবিন রয়েছে। 

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। শুরুতে যখন করোনা রোগীদের পাশে ডাক্তাররা যেতে চাইতেন না, টেবিলের নিচ দিয়ে যখন রোগীদের খাবার প্রদান করা হতো, তখন থেকে করোনা রোগীদের চিকিত্সা সেবা প্রদান করছে এএমজেড হাসপাতাল। বর্তমানে স্বাভাবিক রোগীদের মতোই করোনা রোগীদের অন্যতম আন্তরিকভাবে এই হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা প্রদান করছেন ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য সেবা কর্মীরা। দেশের বড় বড় শিল্পপতি ও বিশিষ্টজনেরা এই হাসপাতালে সুচিকিত্সা পেয়ে সুস্থও হয়েছেন। এএমজেড হাপসাতালের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সাধারণ সম্পাদক এবং মুগদা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর। এছাড়া মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. সায়েমসহ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক এই হাসপাতালে রোগীদের চিকিত্সা সেবা প্রদান করছেন। করোনার শুরুতে যখন রোগীর সংখ্যা বাড়ছিল, তখন সরকারি হাসপাতালগুলো চিকিত্সা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল। এই সময়ে করোনা রোগীদের চিকিত্সা সেবা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল। সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শুরু থেকেই করোনা রোগীদের চিকিত্সা সেবা দিচ্ছে এএমজেড হাসপাতাল।

এএমজেড হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার-নার্সরা বলেন, গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার প্যানডেমিক চলছে তার আপন গতিতে, তাণ্ডবলীলা চালিয়ে যাচ্ছে সারা বিশ্বে। যেহেতু করোনা সম্পূর্ণ একটি নতুন রোগ, তাই শুরুতে এর চিকিত্সা ও প্রতিরোধব্যবস্থা নিয়ে বিজ্ঞানী, চিকিত্সক এবং জনগণের মাঝে ভয়ভীতি ছিল। এটা থাকাটাই স্বাভাবিক। এমনকি ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীও কিন্তু আতঙ্কগ্রস্ত ছিলেন। তবে আমরা শুরু থেকেই করোনা রোগীদের অন্যান্য রোগীদের মতোই স্বাভাবিকভাবে চিকিত্সা সেবা দিচ্ছি। ডাক্তাররা  রোগীর কাছে যান, রোগের কথা শোনেন, ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। নার্সরা রোগীর সেবা পরিচর্যা ঠিকভাবে করছেন, ওষুধ খাওয়াচ্ছেন, এমনকি অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর খাবারদাবার ঠিকমতো দিচ্ছেন। জীবনবাজি রেখেই আক্রান্তদের চিকিত্সাসেবা দিয়ে যাচ্ছি।