নকল ওষুধ তৈরি ও বিক্রয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ৮

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২১, ২১:৫১

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মানুষের জীবনরক্ষায় বহুল ব্যবহূত মন্টিলুকাস্ট, ওমিপ্রাজল ও সেফিক্সিম গ্রুপের বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ উদ্ধার এবং নকল ওষুধ তৈরি ও বিক্রয়ের অভিযোগে আট জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে—ফয়সাল, মোবারক, নাসির, ওহিদুল, মামুন, রবিন, ইব্রাহিম ও আবু নাঈম। ১২ আগস্ট  ঢাকা, সাভার ও পিরোজপুরের নেছারাবাদ বিসিক শিল্প এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাদের  গ্রেফতার করে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিম।

অভিযান পরিচালনাকারী গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, করোনার কারণে আমাদের জনজীবন যখন বিপর্যস্ত তখন একটি অসাধু চক্র এ অতিমারিতে নকল ওষুধ বাজারজাত করছে। এ অভিযোগে ঢাকা, সাভার ও পিরোজপুর জেলায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের আট জনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি বলেন, এ চক্রের হোতা গ্রেফতারকৃত ফয়সালের নামে সাভার ও পিরোজপুরে দুটি কারখানা আছে। সে ভুয়া ড্রাগ লাইসেন্স নিয়ে লাইফ সেভিং এসব নকল ওষুধ তৈরি করে। ফয়সাল মূলত আতিয়ার নামক এক কেমিস্টের কাছ থেকে বাজারে ব্যাপক প্রচলিত নামিদামি ব্র্যান্ডের ওষুধের ফর্মুলা নিয়ে মিটফোর্ডের কেমিক্যাল ব্যবসায়ী মুহিবের কাছ থেকে কেমিক্যাল সংগ্রহ করে তার কারখানায় এসব ওষুধ তৈরি করত। এসব নকল ওষুধ তৈরি করার পর মিটফোর্ডের কয়েকটি গ্রুপ এসব নকল ওষুধ বাজারজাত করত।

তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃত নাঈম এসব নকল ওষুধের জন্য সব প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল তৈরি করে দিত। গ্রেফতারকৃত ফয়সাল, নাসির, ওহিদুল, মামুন, রবিন, ইব্রাহিম, আবু নাঈম, ফয়সাল ও তাদের সহযোগীরা তৈরিকৃত এসব নকল ওষুধ বাজার মূল্যের চেয়ে নামমাত্র মূল্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। গ্রেফতারকৃতরা বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব ওষুধ প্রেরণ করত।