বিএনপি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি :কাদের

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২১, ২২:৫৫

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি রাজনৈতিক মাঠে নয়, নিরাপত্তা  বেষ্টনীতে বসে শুধু লিপ সার্ভিসের মাধ্যমে গণমাধ্যমের ওপর ভর করে টিকে আছে। আসলে বিএনপি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি, নেবেও না। গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন ছাত্রদল নেতার জামিন না হওয়ায় নির্লজ্জভাবে সরকারের সমালোচনা করেছেন। অথচ যে কোনো ব্যক্তির জামিন পাওয়া একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এক্তিয়ার। এখানে সরকারকে দোষারোপের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, বাঙালি জাতির জীবনে এক গ্লানিময় অপবিত্র অধ্যায়। এই দিনে জাতির পিতাকে হত্যার বেনিফিশিয়ারি গ্রুপ ও খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম    আলমগীর তথাকথিত ভয় ও আতঙ্কের গল্পের আড়ালে যে রক্তচক্ষু প্রদর্শন করেছেন, বাঙালি জাতি তার পরোয়া করে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী  সেনাশাসক জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে দলটি (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপি যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখলে উন্মত্ত, গণতান্ত্রিক নিয়মনীতি রক্ষা করে রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনায় সর্বদা ব্যর্থ হয়েছে। তাই বিএনপির মিথ্যা-বানোয়াট-ভ্রান্তিমূলক বয়ান বাংলার জনগণ সব সময় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। 

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের রাজনীতিতে জনসাধারণের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বাধীনতার সুফল যখন বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন, তখনই  দেশি-বিদেশি চক্র সম্মিলিতভাবে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরে খুনি-ঘাতক চক্র তার ও তার পরিবারের সদস্যদের চরিত্র হননের হীন অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। তেমনিভাবে আজও একটি চিহ্নিত মতলবি মহল শেখ হাসিনার সরকার ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।