ঘাটেই ইলিশের দাম বেশি

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২১, ২১:১৩

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা

আষাঢ়-শ্রাবণ শেষ হয়ে ভাদ্র শুরু হলেও রায়পুরে মেঘনায় জেলেদের জালে তেমন ইলিশ মিলছে না। কিছু ইলিশ ধরা পড়লেও দাম বেশ চড়া। ঘাটেই ইলিশের হালি (চারটি) বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকায়। প্রতিটি ইলিশ ৯০০ থেকে ১০০০ গ্রাম ওজনের। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার আলতাফ মাস্টারের মাছের ঘাটে এক হালি ইলিশ ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কাঙ্খিত ইলিশ ধরা পড়লে এর দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা হতো।

ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সন্ধ্যায় জেলেরা মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরছেন। ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে সরগরম ঘাট। অন্যসব দিনের চেয়ে কিছুটা বেশি ইলিশ ধরা পড়েছে। যে কারণে ঘাট ছিল জমজমাট। কোনো জেলেকে খালি হাতে নদী থেকে ফিরতে হয়নি। চরকাছিয়া গ্রামের জেলে আতাউর মাঝি ২০ থেকে ২৫টি ইলিশ মাছ নিয়ে ঘাটে ফিরেন। ইলিশ আড়তে রাখতেই ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজন ভিড় জমায়। ইলিশের দাম হাঁকা শুরু হয়। ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয় তার এক হালি ইলিশ। বাকিগুলো ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা হালি হিসেবে তিনি বিক্রি করেন। স্থানীয় ছয় থকে সাত জন জেলে জানান, নদীতে ইলিশ তেমন নেই। যে কারণে পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ছে না। প্রচুর ইলিশ ধরা না পড়ায় দাম বেশি। আষাঢ়-শ্রাবণ গত দুই মাস নদী থেকে প্রায় প্রতিদিন খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। ভাদ্র মাসের শুরু থেকে জেলেদের জালে দু-চারটা করে ইলিশ ধরা পড়ে। গত কয়েক কয়েক দিন কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। তবে তাও পর্যাপ্ত নয়।

জেলা মত্স্য কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, প্রচুর বৃষ্টি ও নদীতে পানি বাড়তে থাকলে সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ আসবে। জেলেদের জালে ধরা পড়বে প্রচুর ইলিশ। দামও কমবে। তবে বড় ইলিশ চাঁদপুর হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম চলে যায়। এতে ঘাটে বড় ইলিশের দাম একটু বেশি হচ্ছে।