মাহমুদউল্লাহ
স্পোর্টস রিপোর্টার
কয়েক দিন ধরেই ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করছেন মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, শামীম পাটোয়ারিরা। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগত অনুশীলনে যোগ দিলেন বাংলাদেশের টি-২০ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নুরুল হাসান সোহান। তাদের অনুশীলন তত্ত্বাবধানে মাঠে এসেছেন হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোও।
এক সপ্তাহ বিশ্রাম শেষে ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরতে শুরু করেছেন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হোম সিরিজকে কেন্দ্র করে। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে এটিই বাংলাদেশের শেষ সিরিজ। গতকাল আইসিসি ঘোষণা করেছে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি।
জিম্বাবুয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টি-২০ সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। আসন্ন সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে চায় বাংলাদেশ। টানা কয়েকটি সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপে যেতে চান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলোকেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না তিনি। আইসিসির মিডিয়া বিভাগকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বলেছেন, বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। অলরাউন্ডারদের দলের মূল শক্তি মানছেন অধিনায়ক। সাকিব, মুশফিকদের সঙ্গে সোহান, আফিফ, শামীমদের মতো তরুণের উপস্থিতি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে মাহমুদউল্লাহকে।
প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ড, ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বিরুদ্ধে খেলবে বাংলাদেশ। ওমানে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। কারণ প্রথম রাউন্ড পার হলেই চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পাবে টাইগাররা।
গতকাল বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি মনে করি টি-২০ বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যেই প্রতিপক্ষের সঙ্গেই খেলেন না কেনো, প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে শুরুর বল থেকেই সেরাটা খেলতে হবে। মানসিকতা ঠিক রেখে আপনি টিম প্রসেসে ফোকাস রাখলে সব ম্যাচ জিততে পারবেন।’
বিশ্বকাপের আগে খেলা সিরিজগুলো দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশের বর্তমান টি-২০ দলে রয়েছে এক ঝাঁক অলরাউন্ডার। তাদেরই ভরসা মানছেন অধিনায়ক। সঙ্গে স্পিনারদের জ্বলে উঠার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি মনে করি আমাদের শক্তির জায়গা হলো আমাদের অলরাউন্ডাররা ও আমাদের বোলিং বিভাগ। আমাদের ব্যাটিং বিভাগও বেশ ভালো। আমি মনে করি, আমাদের দলে ভালো ভারসাম্য আছে। বিশেষ করে দলে আমরা ৫-৬ জন অলরাউন্ডার যারা বল ও ব্যাট করতে পারি। এই মুহূর্তে আমাদের ফাস্ট বোলাররা দারুণ কাজ করছে। তাছাড়া আমাদের স্পিন বিভাগ তো আমাদের শক্তির জায়গা হিসেবে আছেই। যদি আমরা তাদের সাহায্য পাই তাহলে ভালো ফল করতে পারব।’
মাহমুদউল্লাহর মতে, অভিজ্ঞ সাকিব, মুশফিক, মুস্তাফিজ ছাড়াও বাংলাদেশের কয়েক জন তরুণ বিশ্বকাপে নজর কাড়তে পারেন। তিনি বলেন, ‘যদি আমাকে কয়েকটি প্লেয়ারের নাম বলতে হয় আমি প্রথমেই বলব সাকিবের নাম। সে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার, আমাদের দলে সবচেয়ে দামি প্লেয়ার। এছাড়া মুশফিক ও মুস্তাফিজ আছে। আফিফ, শামীম, সোহানের মতো বেশ কিছু তরুণ তারকা আছে, যারা নিজেদের জন্য ও দলের জন্য ভালো করছে। এই তরুণদের দিকে চোখ রাখতে হবে বলে মনে করি।’
