আগামী ৪ অথবা ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন। সেই পরিকল্পনা করে এগুচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুই দফা পিছিয়ে যাওয়ায় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে করতে হবে। গত ২৬ জুলাই ভোটের দুই দিন আগে নির্বাচনের ওপর ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্ট। ফলে নির্বাচন কমিশন ঐদিন বিকালেই ভোট স্থগিত করে। এদিকে, সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে পুলিশের মাঠ প্রশাসনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। দলটির অভিযোগ আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দাবিতে জাপা মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু গত সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার কাছে অভিযোগ করেন। তখন সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সিইসির কাছে আমরা কিছু দাবি জানিয়েছি। বলেছি মাঠ পর্যায়ের কিছু পুলিশ কর্মকর্তার আচরণে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে মাঠ পর্যায়ের ঐসব অতি উত্সাহী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছি। তিনি বলেন, তপশিল ঘোষণার পর থেকেই জাপার প্রার্থী ও কর্মীদের প্রতি মাঠ পর্যায়ের কিছু পুলিশ যে আচরণ করছে, তা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য হুমকিস্বরূপ। দলটির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি বলেছেন—অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে যা যা করণীয়, তার সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
