নরসিংদীর শিবপুরে বেপরোয়া গতিতে আসা যাত্রীবাহী বাসের চাপায় দুই নারী পথচারী নিহত এবং এক কিশোরী আহত হয়েছে। আহত কিশোরীর নাম তানজিনা আক্তার। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর উপজেলার সৃষ্টিঘর হাজীবাগান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন শিবপুর উপজেলার শ্রীফুলিয়া গ্রামের কিতাব আলীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৫৫) ও সৃষ্টিঘর গ্রামের আয়েস আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৬৫)। আহত তানজিনা নিহত রোকেয়া বেগমের নাতনি। ইটখোলা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক নূর হায়দার তালুকদার নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সৃষ্টিঘর হাজীবাগান এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক পার হওয়ার জন্য সড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিলেন দুই নারী ও এক কিশোরী পথচারী। এ সময় সিলেট থেকে ঢাকাগামী কাজী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বেপরোয়া গতিতে এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই নারীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোরী তানজিনাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত হয়ে স্থানীয়রা বাসটিতে আগুন দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভায়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং বাসটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।
‘জয়িতা’ পুরস্কারপ্রাপ্ত ফয়জুন্নেছা মুন্নী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, জাতীয় ‘জয়িতা’ পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা ও মাসরুম কন্যাখ্যাত কুমিল্লার ফয়জুন্নেছা মুন্নী (৪০) মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তিনি ঢাকা থেকে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) ভোরে মাইক্রোযোগে কুমিল্লায় ফেরার পথে ঢাকার মদনপুর এলাকায় পৌঁছার পর বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনি মারা যান। ঢাকা থেকে মরদেহ কুমিল্লায় আনার পর বাদ আসর জানাজা শেষে তাকে কুমিল্লা নগরীর পশ্চিম বাগিচাগাঁও কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ফয়জুন্নেছা মুন্নী নগরীর পশ্চিম বাগিচাগাঁও এলাকার খোকন শেখের স্ত্রী। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নাজিরাবাজার এলাকায়। তার বৃদ্ধ বাবা-মা ও দুই ছেলেসন্তান রয়েছে। বড় ছেলে নবম শ্রেণি এবং ছোট ছেলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।
তিনি পথিকৃত্ সমাজ কল্যাণ সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।
