মো. কামরুল হাসান, প্রভাষক
শামছুল হুদা খাঁন কলেজ
ঝিনাইদহ
শুদ্ধ উচ্চারণ চর্চা (পর্ব ৯)
গত পর্বের পর ...
‘অ’-এর উচ্চারণের নিয়ম
‘অ’-এর উচ্চারণের তিনটি ভাগ রয়েছে ।
১. আদ্য-অ (শব্দের শুরুতে)
২. মধ্য-অ (শব্দের মাঝে)
৩. অন্ত্য-অ (শব্দের শেষে)
মধ্য-অ
সূত্র ১: তিন বর্ণে গঠিত শব্দের ১ম বর্ণটি যদি অ (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত) হয়, তবে মধ্য-অ সাধারণত ও-কারের মতো উচ্চারিত হয়। যেমন:
যখনতখন ফসলের ফলন নিয়ে পঠন করে যতন করে গঠনমূলক আলোচনা করলে সকল মানুষ আপনাকে দেশের রতন ভাববে।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :
বানান উচ্চারণ
যখনতখন যখোন্তখোন্
ফসল ফশোল্
ফলন ফলোন্
পঠন পঠোন্
যতন যতোন্
গঠন গঠোন্
সকল শকোল্
রতন রতোন্
সূত্র ২: তিন বর্ণে গঠিত শব্দের ১ম বর্ণটি যদি আ হয় (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত), তবে মধ্য-অ সাধারণত ও-কারের মতো উচ্চারিত হয়।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :
বানান উচ্চারণ
আমন আমোন্
কাজল কাজোল্
আসল আশোল্
কাগজ কাগোজ্
পাগল পাগোল্
ছাগল ছাগোল্
ডাগর ডাগোর্
নাগর নাগোর্
সাগর শাগোর্
বাসন বাশোন্
আসন আশোন্
সূত্র ৩: তিন বর্ণে গঠিত শব্দের ১ম বর্ণটি যদি এ হয় (স্বাধীন কিংবা ব্যঞ্জনে যুক্ত), তবে মধ্য-অ সাধারণত ও-কারের মতো উচ্চারিত হয়।
শব্দগুলোর উচ্চারণগুলো লক্ষ করি :
বানান উচ্চারণ
বেতন বেতোন্
চেতন চেতোন্
কেতন কেতোন্
লেহন লেহোন্
কেশর কেশোর্
লেখন লেখোন্
শেখর শেখোর্
কেবল কেবোল্
বেলন বেলোন্
