শিল্প জোনে কর্মহীন স্থানীয় জনগোষ্ঠী

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২১, ২১:১৬

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে উত্পাদন ও রপ্তানীমুখী প্রতিষ্ঠান। দেশের একমাত্র জাহাজভাঙাশিল্পের অবস্থান এই সীতাকুণ্ড অঞ্চলে, যার মাধ্যমে সরকার বাত্সরিক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে। বিএসআরএম, কেএসআরএম, পিএইচপি, জিপিএইচ, কনফিডেন্স, রয়েল, লিনডে, মোস্তফা হাকিমের মতো প্রথম সারির শিল্প ও উত্পাদন প্রতিষ্ঠান এই অঞ্চলে গড়ে উঠেছে। জাতীয় অর্থনীতির বৃহত্ একটি অংশের জোগানদাতা উলি­খিত প্রতিষ্ঠানসমূহ, যার উত্পাদিত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। ছোট-বড় শিল্প, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উত্পাদন প্রতিষ্ঠান মিলে এখানে দুই শতাধিক কারখানা গড়ে উঠেছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সীতাকুণ্ডের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নেই। যার ফলে এই অঞ্চলের উলে­খযোগ্য একটি অংশ কর্মহীন, যারা দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী এবং প্রাযুক্তিক জ্ঞানসম্পন্ন। এদের সুযোগ দেওয়া হলে স্বীয় দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান কাজে লাগাতে পারবে তারা। সুতরাং স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উচিত কারখানা মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা। অন্যথায় এই অঞ্চলের সম্ভাবনাময় তরুণদের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। সর্বোপরি আশা থাকবে, বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত স্থানীয় জনগোষ্ঠী যেন তাদেরই ভিটেমাটির ওপর গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ পায়।

সৈয়দ মো. জাহেদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়