‘তামিম দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। এটা নিয়ে তো কোনো প্রশ্নই আসে না। যখন ফিট থাকবে ও তো খেলবেই। ও দলের সঙ্গে থাকবে। ওর সমস্যা ইঞ্জুরি। সেটা নিয়ে ডাক্তার, ফিজিওর সাথে নিয়মিত নির্বাচকরা কথা বলছে। এটা নিয়ে সবাই সজাগ দৃষ্টি রাখছে। আশা করছি ফিট হয়ে যাবে।’
স্পোর্টস রিপোর্টার
ছুটি ও ইনজুরি মিলিয়ে গত তিন টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলে নেই তামিম ইকবাল। খেলছেন না আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় নিউজিল্যান্ড সিরিজেও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এখনো দেড় মাসের বেশি বাকি আছে। তার আগেই কি দীর্ঘদিন ধরে ভোগা হাঁটুর ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে পারবেন তামিম? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক করছে বাংলাদেশের ক্রিকেটপাড়ায়।
তবে বিসিবি ক্রিকেট অপারেশনসের চেয়ারম্যান আকরাম খান বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে দেখছেন তামিমকে। তার বিশ্বাস, বিশ্বকাপের আগেই ফিট হয়ে উঠবেন এই ওপেনার। এনিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে ডাক্তার, ফিজিওর সঙ্গে। গতকাল গণমাধ্যমকে আকরাম খান বলেন, ‘তামিম দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। এটা নিয়ে তো কোনো প্রশ্নই আসে না। যখন ফিট থাকবে ও তো খেলবেই। ও দলের সঙ্গে থাকবে। ওর সমস্যা ইঞ্জুরি। সেটা নিয়ে ডাক্তার, ফিজিওর সঙ্গে নিয়মিত নির্বাচকরা কথা বলছে। এটা নিয়ে সবাই সজাগ দৃষ্টি রাখছে। আশা করছি ফিট হয়ে যাবে।’
সবশেষ যখন টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তামিম, তখন ক্রিকেটে প্রভাব ফেলতে পারেনি করোনা ভাইরাস। গত মার্চে নিউজিল্যান্ড সিরিজে খেলেননি ছুটির কারণে, আর ইনজুরি ছিটকে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে। ওদিকে বিশ্বকাপের আগে আর টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগও পাবেন না। ১৯ মাস আন্তর্জাতিক কুড়ি ওভার ম্যাচের বাইরে থেকেই বিশ্বকাপে খেলতে নামবেন তিনি। তাতে যে তার ব্যাটিংয়ে মরচে ধরবে না এ ব্যাপারে নিশ্চিত আকরাম। তিনি বলেন, ‘ না, আমি সংশয় দেখছি না। যেহেতু প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় ও খুব ভালো খেলোয়াড়। ও ফিট থাকলে কোনো চিন্তার বিষয় নয়। ও থাকলে আমাদের জন্য তো ভালো।’
বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশের সব খেলাই হবে ওমানে। সেজন্য সাত দিন আগেই দেশ ছাড়বে টাইগাররা। অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় করতে পারলে বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসে তুঙ্গে থাকবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। কিন্তু মিরপুরের মন্থর উইকেটে প্রস্তুতি আদর্শ হচ্ছে কি না এনিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।
তবে সেসব কানে দিচ্ছেন না আকরাম। তিনি বলেন, ‘আমরা বলি না আমাদের এমন উইকেট দাও। উইকেট যেমনই হয় আমরা সেখানেই খেলি। এখানে (মিরপুর) হোম অ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায়। যে দেশেই খেলা হোক, হোম অ্যাডভান্টেজ সেই দেশের খেলোয়াড়রা নেয়। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা এই উইকেটে বেশি খেলেছে, অ্যাডভান্টেজ তো থাকবেই। বিশ্বকাপের আগে আমরা খুব ভালো একটা প্রস্তুতিতে আছি।’
