জলন্ত চুলায় পেট্রোল নিক্ষেপ করে প্রেমিকার শরীর ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে সুমন নামে কথিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এ সময় মেয়েকে রক্ষা করতে গিয়ে ঝলসে গেছেন মা। গত শনিবার রাত ৮টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিবউল্লাহর দগ্ধ মেয়ে জান্নাতুল নাঈমা জান্নাত (২২) ও স্ত্রী নাজমা বেগমকে (৫০) ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে তাদের নেওয়া হয় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বখাটে প্রেমিক সুমন (৩০) একই এলাকার নূরুল ইসলাম পাটওয়ারীর ছেলে। ঘটনার পরপরই সুমনের পুরো পরিবার গা ঢাকা দিয়েছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক ফাহাদ নাছির জানান, মেয়েটির শরীরের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং মায়ের শরীরের ৪ শতাংশ ঝলসে গেছে।
জান্নাতের মা নাজমা বেগম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরে জান্নাতকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। জান্নাত তা প্রত্যাখ্যান করে। এরই মধ্যে জান্নাতের আরেক জায়গায় বিয়ে ঠিক হয় এবং শনিবার জান্নাতকে দেখতে পাত্রপক্ষ তাদের বাড়িতে আসে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সুমন তার কন্যাকে ঝলসে দেয়।
লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, এ ব্যাপারে সুমনকে প্রধান আসামি করে অভিযোগ দিয়েছেন জান্নাতের বাবা।
