রবিবার দুপুরে সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের চাইড়া গ্রামে সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে শ্যালক ও দুলাভাইয়ের মৃত্যু ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। নিহতরা হলো—মো. সোহেল চৌধুরী (৪০) ও তার দুলাভাই সোহেল রানা (৪২)। এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামে নতুন বাড়ির জন্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের মুখ দীর্ঘদিন যাবত্ বন্ধ ছিল। রবিবার দুপুরে ঐ সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা খুলে ময়লা পরিষ্কার করার জন্য ভেতরে প্রবেশ করেন সোহেল রানা; কিন্তু দীর্ঘক্ষণ পরও দুলাভাই উঠে না আসায় তার শ্যালক সোহেল চৌধুরী তাকে উদ্ধারের জন্য ট্যাংকের ভেতরে নামেন। পরে তারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল করা হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে ট্যাংকের ভেতর টর্চের আলো ফেললে তাদেরকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দ্রুত তাদেরকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক দুই জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
সাভার মডেল থানা ও ভার্কুতা ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) শাহ্ আলম জানান, সেপটিক ট্যাংকের মুখ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ট্যাংকে অক্সিজেন প্রবেশ না করায় ভেতরে নেমে প্রথমে তারা অচেতন হয়ে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
