রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ১০ জনের মৃত্যুু

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২১, ১১:০৭

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১০ জনের মৃত্য হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। 

মৃতদের ৫ জন করোনা পজেটিভ, ৪ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এছাড়াও একজন করোনা নেগেটিভ হয়েও পরবর্তী শারীরিক স্বাস্থ্য জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এদের মধ্যে ছয়জন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

রামেক করোনা ইউনিটে এক দিনে আরও ১২ জনের মৃত্যু

রামেক হাসপাতালের পরিচালক জানান, এক দিনে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে রাজশাহীর দুইজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুইজন, নাটোরের একজন, নওগাঁর একজন, পাবনার তিনজন ও চুয়াডাঙ্গার একজন। এদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী। যাদের মধ্যে পাঁচজনের বয়স ৬১ বছরের ওপরে। বাকিদের মধ্যে ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে দুইজন এবং ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে একজন।

শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ২৮ জন। একই সময় সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৯ জন। সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি আছেন ২৩৮ জন। এদের মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ২০ জন।

মমেক করোনা ইউনিটে ঝরলো আরও ১৪ প্রাণ 

করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে ১১৬ জনের করোনা পজেটিভ রয়েছে। উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৮৮ জন; যাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও করোনা নেগেটিভ হয়েও পরবর্তী শারীরিক স্বাস্থ্য জটিলাতায় চিকিৎসাধীন ৩৪ জন।

শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, রাজশাহীতে আরও কমেছে করোনা সংক্রমণের হার। রোববার দুইটি ল্যাবে রাজশাহী জেলার ৩৪৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ কমে সংক্রমণের হার ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। যা আগের দিন শনিবার ছিল ১৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।

রাজশাহী মেডিকেলে করোনা ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু

এছাড়াও গত শুক্রবার এ জেলায় করোনা শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক শূন্য ২ শাতংশ, গত বৃহস্পতিবার ২৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ, গত বুধবার ১৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, গত মঙ্গলবার ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ, গত সোমবার ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং গত রবিবার ছিল ২৪ শতাংশ।

ইত্তেফাক/কেকে