মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি) সংবাদদাতা
এক সময় পাহাড়ি রাস্তার পাশে দেখা মিলতো পথিকের বিশ্রামের জন্য তৈরি করা ‘ধর্মঘর’। মারমা ভাষায় একে বলা হতো ‘রহ্পুঙ’। ধর্মঘরে পথিকদের জন্য রাখা হতো পানিভর্তি মাটির কলস, পানি খাওয়ার জন্য নারিকেলের মালা, ধূমপায়ীদের জন্য বাঁশের তৈরি দু-তিনটা দাবা (হুক্কা) ও তামাক। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এসব ধর্মঘর বা রহ্পুঙ। পুরো মহালছড়ি উপজেলা ঘুরে সিঙ্গিনালা কাপ্তাই পাড়া গ্রামে মাত্র একটি ধর্মঘর পাওয়া যায়। প্রাক্তন মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষক মংচাইঞোরী মারমা (৮২) জানান, ৯০ দশকের পর থেকেই ধর্মঘর তৈরি করা কমে গেছে। কারণ মানুষ এখন আর পায়ে হেঁটে দূরে কোথাও যায় না।
