বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “হঠাত্ করেই কঠোর লকডাউন-টকডাউন সমস্ত উধাও হয়ে গেল। এখন খুললাম, যে যেমন খুশি চলো। হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে চলছে-ফিরছে সবকিছুই করছে। একটা জিনিসই চলছে না, এটা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অর্থাত্ বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ প্রজন্ম যেন শিক্ষা না পায়, সেই ব্যবস্থা তারা (সরকার) করছে। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সরকার ভবিষ্যত্ প্রজন্মের ‘ভয়ংকর ক্ষতি’ করছে।” ফখরুল বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই করোনার একটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। যেমন তারা টিকার জন্য পরিকল্পনা করেছে, টিকা ভ্যাকসিনেশনের জন্য পরিকল্পনা করেছে, তেমনি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জীবন-জীবিকার পরিকল্পনা করেছে এবং একই সঙ্গে কীভাবে শিক্ষা প্রদান করা যায়, সেটার জন্য তারা পরিকল্পনা করেছে। আমাদের এখানে কোনো পরিকল্পনা নাই। এতে ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে প্রজন্মের, ক্ষতি করছে প্রজন্মের।’ গতকাল গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি পরিচালিত কোভিড-১৯ হেল্প সেন্টারের জন্য ওষুধসামগ্রী হস্তান্তর উপলক্ষ্যে জিয়া পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফখরুল এ কথা বলেন। জিয়া পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব অধ্যাপক এমতাজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে জিয়া পরিষদের নেতাদের মধ্যে শফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আবু জাফর খান, দেলোয়ার হোসেন, শহীদুল ইসলাম, নীলিমা রহমান লিলি, নুরুন নবী, ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।
